গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক দিবস
তারিখ |
দিবসের নাম |
২৭ জানুয়ারি |
আন্তর্জাতিক গণহত্যায় নিহতদের স্মরণ দিবস। |
২ ফেব্রুয়ারি |
বিশ্ব জলাভূমি দিবস। |
২১ ফেব্রুয়ারি |
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। |
৩ মার্চ |
আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী অদিকার দিবস। |
৮ মার্চ |
আন্তর্জাতিক নারী দিবস। |
২১ মার্চ |
আন্তর্জাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবস। |
২২ মার্চ |
বিশ্ব পানি দিবস। |
২৩ মার্চ |
বিশ্ব আবহাওয়া দিবস। |
২৪ মার্চ |
বিশ্ব যক্ষা দিবস। |
২৬ মার্চ |
মহান স্বাধীনতা দিবস। |
৪ এপ্রিল |
আন্তর্জাতিক মাইন বিরোধী সচেতনতা এবং মাইন উদ্ধার কার্যক্রম সহায়তা দিবস। |
৭ এপ্রিল |
বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। |
২৩ এপ্রিল |
বিশ্ব গ্রন্থ এবং গ্রন্থস্বত্ব দিবস। |
২৬ এপ্রিল |
বিশা্ মেধা সম্পদ দিবস। |
১ মে |
মহান মে দিবস। |
৩ মে |
বিশ্ব সংবাদপত্র স্বাধীনতা দিবস। |
৫ মে |
আন্তর্জাতিক ধাত্রী দিবস। |
১২ মে |
আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস। |
১৩ মে |
বিশ্ব মা দিবস। |
১৫ মে |
বিশ্ব পরিবার দিবস। |
১৭ মে |
বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস। |
২১ মে |
বিশ্ব সংলাপ ও উন্নয়নের জন্য সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য দিবস। |
২২ মে |
আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস। |
২৮ মে |
নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস ও আন্তর্জাতিক নারী স্বাস্থ্য দিবস। |
২৯ মে |
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা দিবস। |
৩১ মে |
বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস। |
৪ জুন |
আগ্রাসনের শিকার শিশুদের আন্তর্জাতিক দিবস। |
৫ জুন |
বিশ্ব পরিবেশ দিবস। |
১২ জুন |
বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস। |
১৭ জুন |
বিশ্ব মরুকরণ ও খরা প্রতিরোধ দিবস। |
২০ জুন |
বিশ্ব উদ্বাস্ত দিবস। |
২১ জুন |
বিশ্ব সংগীত দিবস। |
২৩ জুন |
জাতিসংঘ পাবলিক সার্ভিস দিবস। |
২৬ জুন |
বিশ্ব মাদকসেবন ও অবৈধ পাচার বিরোধী দিবস নির্যাতনের শিকারদের জন্য আন্তর্জাতিক সহয়তা দিবস। |
৭ জুলাই |
বিশ্ব সমবায় দিবস (মাসের প্রথম শনিবার)। |
১১ জুলাই |
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। |
১-৭ আগস্ট |
বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ। |
প্রথম রবিবার |
বিশ্ব বন্ধু দিবস। |
৯ আগস্ট |
বিশ্ব আদিবাসী দিবস। |
১২ আগস্ট |
আন্তর্জাতিক যুব দিবস। |
২৪ আগস্ট |
জাতীয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস। |
৩ সেপ্টেম্বর |
সিডও দিবস। |
৮ সেপ্টেম্বর |
আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস। |
৩য় মঙ্গলবার |
বিশ্ব শান্তি দিবস। |
১৬ সেপ্টেম্বর |
আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস। |
শেষ সপ্তাহ |
বিশ্ব নৌ দিবস। |
৩০ সেপ্টেম্বর |
জাতীয় মেয়েশিশু দিবস। |
১ অক্টোবর |
আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস। |
৫ অক্টোবর |
বিশ্ব শিক্ষক দিবস- জাতিসংঘ ইউনেস্কো, ১৯৯৬। |
১ম সোমবার |
বিশ্ব বসতি দিবস। |
৯ অক্টোবর |
বিশ্ব ডাক দিবস। |
১০ অক্টোবর |
বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। |
১৪ অক্টোবর |
বিশ্ব মান দিবস। |
২য় বুধবার |
প্রাকৃতিক বিপর্যয় হ্রাস দিবস। |
১৫ অক্টোবর |
বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস, বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবস, বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস ও জাতীয় কৃষি দিবস। |
১৬ অক্টোবর |
বিশ্ব খাদ্য দিবস। |
১৭ অক্টোবর |
আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস। |
২৪ অক্টোবর |
জাতিসংঘ দিবস ও বিশ্ব উন্নয়ন তথ্য দিবস। |
২৪-৩০ অক্টোবর |
নিরস্ত্রীকরণ সপ্তাহ। |
১ নভেম্বর |
জাতীয় সমবায় দিবস। |
৬ নভেম্বর |
আন্তর্জাতিক যুদ্ধ এবং সশস্ত্র সংঘাতের ফলে পরিবেশ বিপর্যয় রোধ দিবস। |
৯-১৪ নভেম্বর |
বিশ্ব বিজ্ঞান ও শান্তি সপ্তাহ। |
১৪ নভেম্বর |
বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। |
১৬ নভেম্বর |
আন্তর্জাতিক সহিষ্ণুতা দিবস। |
৩য় সোমবার |
বিশ্ব সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণ দিবস। |
২০ নভেম্বর |
বিশ্ব শিশু দিবস। |
২১ নভেম্বর |
বিশ্ব টেলিভিশন দিবস। |
২৫ নভেম্বর |
আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন বিলোপ দিবস। |
২৯ নভেম্বর |
প্যালেস্টাইন সংহতি দিবস। |
১ ডিসেম্বর |
বিশ্ব এইডস দিবস। |
২ ডিসেম্বর |
আন্তর্জাতিক দাসপ্রথা বিলোপ দিবস। |
৩ ডিসেম্বর |
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস। |
৫ ডিসেম্বর |
আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন স্বেচ্ছাসেবক দিবস। |
৭ ডিসেম্বর |
আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবস। |
৯ ডিসেম্বর |
রোকেয়া দিবস ও আন্তর্জাতিক দুর্নীতি দমন দিবস। |
১০ ডিসেম্বর |
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। |
১১ ডিসেম্বর |
আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস। |
১৬ ডিসেম্বর |
মহান বিজয় দিবস। |
১৮ ডিসেম্বর |
আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস। |
১৯ ডিসেম্বর |
জাতিসংঘ দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা দিবস। |

মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্সের কাছেই নীলাচল। যা বান্দরবান শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে নীলাচলের উচ্চতা প্রায় ২০০০ ফুট। এখান থেকে পাখির চোখে দেখতে পারবেন পুরো বান্দরবান শহরকে। বর্ষা মৌসুমে এখানে পাবেন মেঘের মধ্যদিয়ে হেঁটে যাওয়ার রোমাঞ্চ।বিস্তারিত>>

সৌন্দর্যময় অপরুপ লীলাভুমি বান্দরবান শহর থেকে মাত্র ১৬ কিলোমিটার দূরে হলুদিয়া নামক স্থানে প্রান্তিক লেক (Prantik Lake)ও পর্যটন কেন্দ্র অবস্থিত। পাহাড় বেষ্টিত ৬৮ একর এলাকা জুড়ে এ পর্যটন কেন্দ্রর মাঝে ২৫ একরের বিশাল প্রান্তিক লেক।বিস্তারিত>>

শৈল প্রপাত মিলনছড়ি এলাকায় অবস্থিত এবং বান্দরবান থেকে থানচিগামী সড়কের চার কিলোমিটারের মধ্যেই। বান্দরবানের উল্লেখযোগ্য জলপ্রপাতের মধ্যে এটি একটি। বর্ষাকালে এখনকার পানির প্রবাহ খুব বেশি থাকে। এখানে ভ্রমণকালে ছোট ছোট বাজারগুলোতে আদিবাসীদের তৈরি হস্তশিল্প, তাঁতের দ্রব্যাদি ও খাদ্যসামগ্রীর সংস্পর্শও পাবেন। বিস্তারিত>>

অবকাশ যাপন, আনন্দ ভ্রমণ ও অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়দের জন্য প্রিয় নাম বান্দরবান। পর্যটন শহর বান্দরবান জেলার রয়েছে ১১টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির বসবাস। আচার-আচরন, সংষ্কৃতি ও উৎসব থেকে শুরু করে খাবারেও রয়েছে বিশাল বৈচিত্র। এ জেলার বৈচিত্র শুধু এখানকার বসবাসকারী মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ তাই নয় বান্দরবান জেলার প্রতিটি স্থানই অত্যন্ত বৈচিত্রপূর্ন ও আকর্ষনীয়।বিস্তারিত

আকর্ষণীয় অবসর বিনোদন কেন্দ্র হলো মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স। বান্দরবান পার্বত্য জেলা কাউন্সিলের খুব কাছেই এটি অবস্থিত। বান্দরবান শহর থেকে চার কিলোমিটার দূরে কেরাণীহাট সড়কে অবস্থিত মেঘলায় রয়েছে একটি মিনি সাফারি পার্ক, একটি চিড়িয়াখানা, ঝুলন্ত ব্রিজ, পাহাড়ের নিচে একটি কৃত্রিম লেক এবং নৌকা ভ্রমণের সুবিধা। পিকনিক করার জন্য চমৎকার জায়গা এটি। মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রের অভ্যন্তরে ভারী খাবারের ব্যবস্থা নেই, শুধু স্ন্যাকস পাওয়া যাবে। মেঘলা থেকে একটু বাইরে হলিডে ইন রিসোর্ট ও পর্যটন মোটেলে চাইনিজ ও কন্টিনেন্টাল ফুড পাওয়া যাবে। দুটিতেই রয়েছে রাত যাপনের ব্যবস্থা। বান্দরবান শহর থেকে মেঘলায় যাওয়ার জন্য প্রাইভেট জিপ কিংবা অটোরিকশা রিজার্ভ করতে পারেন। লোকাল বাসও পাওয়া যাবে।বিস্তারিত